যে ভাবে মেয়ে থেকে ছেলেতে রুপান্তরিত হয় জেসমিন

0
18
যে ভাবে মেয়ে থেকে ছেলেতে রুপান্তরিত হয় জেসমিন

যে ভাবে মেয়ে থেকে ছেলেতে রুপান্তরিত হয় জেসমিন

এক আশর্চজনক ঘটনা দশম শ্রেণীর ছাত্রী জেসমিন হঠাৎ জ্বর শুরু হয় । জ্বর লক্ষণ থেকে তাহার পরিবর্তন আশতে শুরু করে। এভাবে জলতে পরির্বতন হতে  হতে এক সময় তাহার পুরষে পরিণত হয়ে যায় জেসমনি। জেসমিন দশম শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন। তাহার বয়স হয়েছিল ২০ বৎসর। পরে পরুষে পরিণত হওয়ার পর তাহার নাম রাখা হয় জুবায়েদ মন্ডল।

তাহার জন্ম স্থান উপজেলা শাওলা গ্রামে েএ ঘটনাটি ঘটে পরে এ ঘটনাটি প্রচার হলে ধিরে ধিরে গত 7 দিন ধরে তাহাদের বাড়িতে কৌতুহলী জনসংখ্যা ভিড় করতেছে।

পরে অনেক খোখজি করে জানা গেছে যে, বগুড়ার আদমদীঘী নসরৎপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের কৃষক জালাল হোসেন মন্ডল ও তাহার স্ত্রীর নাম মরিয়ম বিবি। তাহাদের এক ছেলে ও এক মেয় ছিল। ছেলের  নাম মিজানুর রহমান ও মেয়ের নাম ছিল জেসমিন আক্তার।

তাহার জন্ম তারিখ

জেসমিনের জন্ম 2001 সালের 16এপ্রিল তিনি ছোট বেলা থেকে নানা ও নানীর বাড়ীতেই থাকেন। তাহার নানা ও নানীর বাড়ী শাওইল গ্রাম। নানার নাম মোবারক আলী । তাহার বাবা মার সাথে দেখা করতে লক্ষীপুর গ্রামে যাওয়া আসা করেন জেসমিন। জেসমিন স্থানীয় শাওইল দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীর ছাত্রী ও মিজানুর রহমান মিজনা ধনতলা আলিম মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র।

করোনা জন্য স্কুল ও মাদ্রাস বন্ধ থাকায় জেসমিন নানার বাড়ীতে ছিলেন এবং মিজানুর রহমান মিজনা তাহার বাবার কাছে ছিলেন। এমতা অবস্থায় তাহার বাবা ও মা জেসমিনের জন্য পাত্র খোজাখোজি করতেছিলেন। বিয়ে দেওয়ার জন্য।

পরিবর্ত হওয়ার আগে তিনি নিয়মিত কি করতেন?

ছেলে পরিবর্তন হওয়ার পূবে তিনি প্রতিদিন পাঁচওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন। তিনি একদিন বুঝতে পারেন যে তাহার পরিবর্তন আশা শুরু করিতেছে। তিনি আর বুঝতে পারেন যে তাহার মেয়ে থেকে ছেলে পরির্তন হয়ে যাচ্ছেন। তাহাতে তিনি খুব খুশি হন। এ জন্য সে মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকুরিয়া জানান।

পরিবারে সদস্যার জানান যে গত চার মাসে আগে হঠাৎ করে জেসমিনের পরিবর্তন হতে শুরু করে গলার কন্ঠস্বর এবং চলাফের আচার-আচরণ পরিবর্তন হতে থাকে তাহার সব কিছু এবং দেড়মাসের মধ্যে তাহার শারীরিক পরিবর্তন হয়ে মেয়ে থেকে ছেলেতে পরিবর্তন হয়ে যান।

তিনি কথায় থাকতেন

জেসমিন তাহার বিষয়াদি নানা মোবারক আলীকে জানান। তাহার পর তাহার নানা তাহাকে ঢাকার শাহাজানপুর ইসলামী হাসপাতালের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক সৈয়দ শামসুদ্দিন আহম্মেদের নিকট নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক পরিক্ষা নিরিক্ষা করে জানা যে, তাহার শরীরে পুরুষ হরমোন থাকায় সে মেয়ে থেকে ছেলেতে রুপান্তরিত হয়ে যান। চিকিৎসক জানান তাহার নানা মোবারক আলীকে , হরমোনের কারণে 14 থেকে 20 বছর বয়সের মধ্যে লিঙ্গান্তর পরিবর্তন হয়ে থাকে।

তাহাকে কি করা হয়?

জেসমিন আক্তারকে তাহার নিজেস্ব বাড়িতে নিয়ে আশা হয়। তাহার চুল পুরুষদের মত করে কেটে দেওয়া হয়  এবং তাহার নাম রাখা হয় “ মোঃ জুবায়েদ মন্ডল” এবং তাহাকে ছেলেদের পোশাক পরিয়ে দেওয়া হল। এখন তাহাকে দেখার জন্য তাহার গ্রামের আশে পাশের দেখতে আশা শুরু করে। বাড়ীতে দুর দুরান্তের আত্মীয় স্বজন ভীড় জমায়। তাহাকে একপলক দেখার জন্য। তিনি মেয়ে থেকে ছেলেতে পরিবর্তন হওয়াতে তাহার বাবা মা খুব খুশী হন আর তাহার অভাবের সংসার থেকে মুক্তি পান তাহার বাবা।

পুরুষ হওয়াতে তার বাবা মা কি মনে করেন?

তাহার বাবা জানান যে, তাহার ছেলে এখন মাদ্রাসায় লেখা পাড়া করবেন এবং বিজ্ঞ আলেম হবেন। তাহার বাবা মা’র এ শপ্ন।

তিনি আ র জানান যে, তাহার বাড়িতে কোন মেয়ে না থাকায় তিনি আশা করেন যে, তাহার ছেলেদেরকে বিয়ে দিয়ে তাহার নাত্বনীর মুখ দেখবেন। সে সাথে তাহাদের মেয়ের অভাবটাও পুরণ হবে। অনলাইন থেকে সংগৃহিত।